বুধবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অফিসে ধর্মীয় পোশাক, জনস্বাস্থ্যের পরিচালক ওএসডি

০৩-নভে-২০২০ | jonmobhumi | 84 views

Spread the love

অফিস চলাকালীন মুসলিম নারীদের হিজাব এবং পুরুষদেরকে টাখনুর ওপর কাপড় পরার নির্দেশ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. মাহাম্মদ আব্দুল রহিমকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। অপর একটি আদেশে বেশি মূল্যে যন্ত্রপাতি ক্রয় করে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন করার প্রমাণ পাওয়ায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়াকেও ওএসডি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব শারমিন আক্তার জাহান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে ডা. তানভীর আহমেদ চৌধুরীকে ন্যস্ত করা হয়েছে। আর নিয়মিত পরিচালক পদায়ন না করা পর্যন্ত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপপরিচালক ডা. কে এম মামুন মোর্শেদকে আপাতত পরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হলো।

উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক আবদুর রহিম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ‘অত্র ইনস্টিটিউটের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, অফিস চলাকালীন সময়ে মোবাইল সাইলেন্ট/বন্ধ রাখা এবং মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য পুরুষ টাকনুর ওপরে এবং মহিলা হিজাবসহ টাকনুর নিচে কাপড় পরিধান করা আবশ্যক এবং পর্দা মানিয়া চলার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।’

এ প্রসঙ্গে ডা. মুহাম্মদ আব্দুর রহিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। তিন কার্যদিবসের মধ্যে পরিচালকের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। পরে দুঃখ প্রকাশ করে নির্দেশনা বাতিল করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ডা. মুহাম্মদ আবদুর রহিম।

এদিকে, বেশি মূল্যে যন্ত্রপাতি ক্রয় করে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন করার প্রমাণ পাওয়ায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়াসহ তিন চিকিৎসককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অভিযুক্ত অন্য চিকিৎসকরা হলেন−ডা. সৌমিত্র সরকার ও ডা. রতন দাস গুপ্ত। চিঠিতে বলা হয়, ওই তিন চিকিৎসক বিভিন্ন সরঞ্জামের মূল্য যাচাই না করে অতিরিক্ত বাজার দর নির্ধারণ করেছেন। এতে সরকারের ছয় কোটি ৪০ লাখ ৩১ হাজার ৮০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

সার্চ/অনুসন্ধান করুন