শনিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অ্যান্ডারসনের সামনে ‘৬০০’

১৩-আগ-২০২০ | jonmobhumi | 463 views

Spread the love

মাত্র ১০ উইকেট হলেই হয়ে যায়। জেমস অ্যান্ডারসন ছুঁয়ে ফেলবেন সেই জাদুকরী সংখ্যাটি। টেস্ট ক্রিকেটে ৬০০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়বেন তিনি। এটি এমন এক কীর্তি যেটি অতীতে ছোঁয়ার সৌভাগ্য হয়নি আর কোনো ফাস্ট বোলারেরই।

সাউদাম্পটনে পাকিস্তানের বিপক্ষে আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্ট। হতে পারে এই টেস্টেই ১০ উইকেট নিয়ে ফেললেন তিনি। এই টেস্টে না হলে একই মাঠে অনুষ্ঠেয় তৃতীয় টেস্টে সুযোগটা তো থাকছেই। সাউদাম্পটনে পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ দুই টেস্টের চার ইনিংসে ১০ উইকেট— মাইলফলক ছোঁয়ার প্রত্যাশাটা তো করাই যায়।

তবে সাউদাম্পটনই কিছুটা ভাবনার কারণ হতে পারে অ্যান্ডারসনের জন্য। এ মাঠে তাঁর রেকর্ড খুব একটা ভালো নয়। এখানে ৪ টেস্টে খেলে ১৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ২০১৪ সালে ভারতের বিপক্ষে ৫৩ রানে ৫ উইকেটই তাঁর সেরা বোলিং এখানে। প্রথম ম্যাচে ৩/৬২, ২/৪৯ এরপর শেষ টেস্টে ৪২ রানে কোন উইকেট পাননি।

অ্যান্ডারসনের ৬০০ উইকেট দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন সাবেক অস্ট্রেলীয় পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা। তাঁর ৫৬৩ উইকেটের রেকর্ড ভেঙেছিলেন অ্যান্ডারসন। তখন থেকেই ম্যাকগ্রা ৬০০ উইকেটের প্রেরণাটা দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি চাইব অ্যান্ডারসন যেন ৬০০ উইকেট নিয়ে টেস্টে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটধারী তিন স্পিনারের পাশে নিজেকে বসাতে পারে।’ আগামী অ্যাশেজ পর্যন্ত খেলে যাওয়ার কথা বলেছেন অ্যান্ডারসন। সেটি হলে সাউদাম্পটনে না হোক তাঁর ৬০০ উইকেট হচ্ছেই। ১০ টি উইকেটই তো নেওয়ার বাকি!

ওল্ডট্র্যাফোর্ডে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তাতেই সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে। ৩৮ বছর বয়সী এই পেসার অবসর নেবেন কবে, এমন ভাবনাও শুরু হয়ে গেছে। তাঁর ফিল্ডিং দেখে মাইকেল ভন তো বলেই দিলেন, ‘এখন মনে হচ্ছে অ্যান্ডাসনের বয়স আসলেই ৩৮ হয়ে গেছে।’

ইংল্যান্ডকে অ্যান্ডারসন পরবর্তী যুগ নিয়ে ভাবতে বলেছেন এই অ্যাশেজজয়ী অধিনায়ক। অ্যান্ডারসন অবশ্য দুই দিন আগেই টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা আরেকবার পরিস্কার করেছেন, ‘অবসর নিয়ে ভাবছি না। গত সপ্তাহটা আমার ভালো যায়নি। মনে হয়েছে আমি ছন্দে নেই। গত ১০ বছরে এই প্রথম মনে হয় এমন হলো। আমি মাঠে অনেক আবেগপ্রবণ ছিলাম। হতাশা পেয়ে বসছিল। রাগ হচ্ছিল খুব। জোরে বোলিং করার চেষ্টা করি তখন। যা আমাকে খুব একটা সাহায্য করেনি।’

আজ থেকে শুরু সাউদাম্পটন টেস্টে সমালোচনার জবাব দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

সার্চ/অনুসন্ধান করুন