সোমবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সফর, ১৪৪৪ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কারো রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না : কাদের মির্জা

০৯-মার্চ-২০২১ | jonmobhumi | 345 views

Spread the love

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌর মেয়র ও সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ‘আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও কাজ করে যাব। কোনো মাস্তান, সন্ত্রাস আমাকে এ পথ থেকে সরাতে পারবে না। আমি কারো খাই না, কারো পরি না, কারো রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। কে কী বলেছে আমার জানার বিষয় নয়।’

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বসুরহাট উপজেলা প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার খবর রাখেন, আমাকে রাজনৈতিক দিক-নির্দেশনা দেন। এ ছাড়া কেউ আমার খবর রাখে না।’

এ সময় ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট, মুজিব শতবর্ষ উদযাপন মঞ্চ ভাংচুর, আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কাদের মির্জা বলেন, ‘যাদের আমি চেয়ারম্যান বানিয়েছি যাদের আমি জাসদ থেকে আওয়ামী লীগে এনেছি, সভাপতি খিজির হায়াত খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক নুর নবী চৌধুরীকে জাসদ থেকে আমি আওয়ামী লীগে এনেছি। তারা আমার বিরোধিতা করছে। আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি অতি উৎসাহী হয়ে নয়, নিজেকে প্রকাশ করার জন্য নয়, আমি এসব বলছি বিবেকের তাড়নায়। গতকাল রাতে নেত্রী (আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা) আমাকে বলেছেন, তুমি চুপ থাক, আমি দেখতেছি। এ জন্য আমি কোনো কর্মসূচি দেইনি।’

তিনি বলেন, ‘আমি কথা বলছি জনস্বার্থে। প্রতিপক্ষ কথা বলছে নিজস্ব স্বার্থে। তবে জাতীয় নেতারা কেন চুপ আছেন তা আমি জানি না। অন্যদের হস্তক্ষেপে যারা রাজনীতি করে, তাদের সাথে আমি রাজনীতি করতে পারবো না। প্রয়োজনে আমি আওয়ামী লীগে থাকব না। আমি ঠিক করেছি শিক্ষকদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ করব। আমি সহযোগিতা করছি। প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সদস্য হিসেবে আমি কাজ করব।’

আবদুল কাদের মির্জার অভিযোগ, ‘উপজেলায় দলের (আওয়ামী লীগের) বর্তমান সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক দু’জন জাসদের লোক। দু’জনই হাইব্রিড। খিজির হায়াত খান জাসদের প্ররোচণায় এসব ঘটাচ্ছেন। তাদের এ কমিটি আমরা মানি না। আমরা গণতান্ত্রিক উপায়ে এখানে কমিটি করেছি। সেই কমিটির নেতৃত্বে (কোম্পানীগঞ্জে) আওয়ামী লীগ চলবে। এটাই হলো শেষ কথা।’

সার্চ/অনুসন্ধান করুন