শনিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

জাতি ঐক্যবদ্ধ হলে দেশে গণতন্ত্র ফিরবে : গয়েশ্বর

২৬-ডিসে-২০২০ | jonmobhumi | 341 views

Spread the love

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জাতি ঐক্যবদ্ধ হলে দেশে গণতন্ত্র অবশ্যই ফিরে আসবে। তিনি বলেন, এই সরকারকে হটাতে হলে দলের ভেতরে বিভেদ চলবে না, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

শনিবার দুপুরে কৃষক দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর বলেন, ‘জাতি যদি ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে দেশ থাকবে, দেশের সার্বভৌমত্ব থাকবে। জাতি ঐক্যবদ্ধ হলে গণতন্ত্র অবশ্যই ফিরে আসবে। গণতন্ত্র যদি নিশ্চিত করতে পারি তাহলে শুধু খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান কেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষই মুক্তি পাবে, দেশেই থাকবে, দেশেই আসবে, স্বাধীনভাবে চলবে, জনগণের পাশে থাকবে। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যতটুকু করছেন, এখন আসুন বাকি দায়িত্বটা আমরা অকৃত্রিমভাবে আন্তরিকভাবে সমাধান করি এবং আন্দোলনের মাধ্যমে দেশটাকে মুক্ত করি।’

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সত্যকে স্বীকার করার জন্য যে সৎসাহসের প্রয়োজন সেটা আওয়ামী লীগের নেই। জিয়াউর রহমান যখন স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন তখন আওয়ামী লীগের নেতারা সবাই অবলোক মস্তকে বিনা প্রতিবাদে, বিনা প্রশ্নে তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। কেন তাকে প্রশ্ন করেনি- আপনি কে? কারণ জনগণের মনের কথা জিয়াউর রহমান বলেছেন। সেজন্য জিয়া এদেশের কোটি জনতার আত্মার আত্মীয়। মুছে ফেলার চেষ্টা চলে কিন্তু মুছা যায় না। এই ঐতিহাসিক সত্য কখনো মুছা যায় না। কাউকে নায়ক মহানায়ক বানানো যায় এবং ভালো চলচিত্রকার হলে সেটাকে একটা ছবি আকারে পর্দায় ঠেকানো যায়, সেই নায়কের কর্মকাণ্ড দেখে মানুষ আবেগ আপ্লুত হয়, চোখে পানিও ফেলে। কিন্তু সেটা গল্প, সেটা তো নাটক, সেটা সিনেমা। সেটা তো ইতিহাস না। হিস্টি অলওয়েজ ফ্যাক্ট। জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, তার আবির্ভাব, তার কর্মকাণ্ড প্রতিটি ফ্যাক্ট, গল্প না। সে কারণে তিনি একটি ইতিহাস।

আওয়ামী লীগ দেশকে বিভক্ত করছে বলেও অভিযোগ করেন গয়েশ্বর।

সভাপতির বক্তব্যে কৃষক দলের আহ্বায়ক বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, কেউ যদি মনে করেন নির্বাচন করে এই সরকার পরিবর্তন করবেন, তা হবে না। কারণ নির্বাচনী ব্যবস্থাকেই তো এই সরকার শেষ করে দিয়েছে। তাই বলব, রাস্তায় নামা ছাড়া সরকার পরিবর্তনে অন্য কোনো বিকল্প নেই। আমাদেরকে সেজন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে।

কৃষক দলের সদস্য এসকে সাদীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, কৃষক দলের সদস্য সচিব হাসান জাফির তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, উলামা দলের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ শাহ নেছারুল হক, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আবদুস রহিম, কৃষক দলের নাসির হায়দারসহ আহবায়ক কমিটির নেতারা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে কৃষক দলের শহিদুল ইসলাম ভুঁইয়া, ফেরদৌস পাটোয়ারি, মাইনুল ইসলাম, কাজী মনিরুজ্জামান মুনির, শাহজাহান সম্রাট, মেহেদি আহমেদ পলাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সার্চ/অনুসন্ধান করুন