রবিবার, ২রা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বাংলাদেশিসহ ২২ জন উদ্ধার, নিখোঁজ আরও ১৬ জন

২৬-সেপ্টে-২০২০ | jonmobhumi | 422 views
probash

Spread the love

লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় বাংলাদেশিসহ ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৬ জন।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইওএম) শুক্রবার এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, ভূমধ্যসাগরে বৃহস্পতিবার রাতে ওই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, নিখোঁজ ব্যক্তিরা কে কোন দেশের নাগরিক, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।আইওএমের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল–জাজিরার খবরে জানানো হয়, যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দুজন সিরীয়। অপরজন ঘানার নাগরিক।

আইওএমের মুখপাত্র সাফা মসেহলি বলেছেন, যে ২২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিসর, ইথিওপিয়া, নাইজার, সোমালিয়া, সিরিয়া ও ঘানার নাগরিক রয়েছেন। লিবিয়ার কোস্টগার্ডের সহযোহিতায় ওই ২২ জনকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের লিবিয়ার জলিতেন আটককেন্দ্রে নেওয়া হয়।

লিবিয়ার কোস্টগার্ড বলেছে, নৌকাডুবির ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ চলছে।এ নিয়ে এক মাসের মধ্যে লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির দুটি ঘটনা ঘটল। আইওএমের তথ্যমতে, এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বরের নৌকা ডুবে ২০ জনের মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার রাতের নৌকাডুবির ঘটনার খবর এমন সময় ঘটল, যার এক দিন আগেই লিবিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশী ব্যক্তিদের ওপর ‘ভয়াবহ নিপীড়নের’ অভিযোগ নিয়ে কাজ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

লিবিয়ার সাবেক শাসক মোয়াম্মার গাদ্দাফির সরকারের পতনের পর ২০১১ সাল থেকে দেশটি হয়ে উঠেছে মানব পাচারের গুরুত্বপূর্ণ পথ। এই পথেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন অনেক অবৈধ্য অভিবাসনপ্রত্যাশী। আর এই ঝুঁকি নিতে গিয়ে প্রতিবছরই সলিলসমাধি হয় অনেকের।

আইওএমের তথ্যানুসারে, গত বছর এক লাখের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মারা গেছেন। আর চলতি বছর এ পর্যন্ত লিবিয়ার উপকূলে তিন শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ তথ্য জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আইওএমের

সার্চ/অনুসন্ধান করুন