বুধবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ভারতীয় সেনাদের পুড়িয়ে মারতে যে ভয়ঙ্কর গোপন অস্ত্র ব্যবহার করেছিল চীন

১৮-নভে-২০২০ | jonmobhumi | 411 views

Spread the love

পূর্ব লাদাখে ভারতীয় সৈনিকদের পুড়িয়ে মারতে গোপন ‘মাইক্রোওয়েভ” হাতিয়ার ব্যবহার করেছিল চীন। ব্রিটিশ দৈনিক ‘The Times’ সূত্রে খবর, গত আগস্ট মাসে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর এই ভয়ানক হাতিয়ার মোতায়েন করেছিল লালফৌজ।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধে লালফৌজের মাইক্রোওয়েভ’ পাল্স হাতিয়ার ব্যবহার করার বিষয়ে বেইজিংয়ে নিজের ছাত্রদের কাছে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ জিন কানরং।

ছাত্রদের তিনি বলেন, “ভারতীয় সৈনিকদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত নিপুণভাবে হাতিয়ারটি ব্যবহার করেছে চীনা বাহিনী। এই হাতিয়ারটি থেকে বের হওয়া মাইক্রোওয়েভ’ তরঙ্গ ভারতীয়দের দখলে থাক পাহাড়ের চূড়াগুলোকে মাইক্রোওয়েভ’ ওভেনের মত গরম করে তুলেছিল। ফলে বমি করতে করতে ও শরীরের চামড়া পুড়ে যাওয়ায় সেখান থেকে পালিয়ে যায় ভারতীয় সৈনিকরা। এভাবে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ভঙ্গ না করে বন্দুকের ব্যবহার ছাড়াই আমরা এলাকাগুলো দখল করেছি।

অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের মাইক্রোওয়েব হাতিয়ারের মতো অস্ত্র আমেরিকার কাছেও রয়েছে। মার্কিন ফৌজের হাতে থাকা অস্ত্রটির নাম ‘Active Denial System’। একবার আফগানিস্তানে মোতায়েন করলেও তা কখনো ব্যবহার করেনি আমেরিকার সেনা।

ফলে, যদি দাবি সত্যি হয়, তাহলে লড়াইয়ের ময়দানে এই হাতিয়ারের ব্যবহার প্রথম করল চীন।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ধরনের অস্ত্রগুলো থেকে মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ বের হয়। প্রায় ০.৬ মাইল পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এই অস্ত্রগুলো প্রচণ্ড তাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে মানবদেহের কোষে থাকা পানি বাষ্প হয়ে যায়। সহজ যাওয়ায়, শরীরকে ভেতর থেকে পুড়িয়ে দেয় এই হাতিয়ার। তবে চীনের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় ফৌজ। এই ধরনের প্রচার লালফৌজের ‘মাইন্ড গেম’ বলেই মনে করছেন অনেকে।

উল্লেখ্য, সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এপর্যন্ত ৮ দফা সামরিক বৈঠক হয়ে গিয়েছে চীন ও ভারতের মধ্যে। নভেম্বরের ৬ তারিখ চুশুল বর্ডার পয়েন্টে অষ্টম দফার কোর কমান্ডার স্তরের বৈঠক হয় ভারত ও চীনের সেনাবাহিনীর মধ্যে। ওই বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নবীন শ্রীবাস্তব ও ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস-এর ব্রিগেডিয়ার ঘাই।

ওই বৈঠকের পর ভারত সরকার দাবি করে, বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই পক্ষের মধ্যে গঠনমূলক ও গভীর আলোচনা হয়েছে। সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা ও যোগাযোগ বজায় রাখতে রাজি হয়েছে দুই দেশ।

সার্চ/অনুসন্ধান করুন