সোমবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

মোদি আসছেন এতেই আমরা অনেক খুশি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩-মার্চ-২০২১ | jonmobhumi | 381 views

Spread the love

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এম আবদুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এবারের সফর হবে শুধুই উদযাপনের, দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলো তারা এবার তুলতে চান না। তিনি বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি আসছেন, এতেই আমরা অনেক খুশি।’

শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ বিষয়ে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি আসছেন, এতেই আমরা অনেক খুশি। শুধু উনি না, উনার দেখাদেখি আরো চারজন রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান আসছেন। শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান আসছেন। আমরা খুবই আনন্দিত, ইট শোজ দা হাইট অব ডিপ্লোম্যাটিক ম্যাচুরিটি অ্যান্ড এচিভমেন্ট।’

দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরে কোনো আলোচনা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ওগুলো বাদ, আমরা যেটা চাই- সেটা হচ্ছে এই যে একটি আনন্দ উৎসব, আমাদের বড় উৎসবে সবাই আসছেন, এতে আমরা আনন্দিত।’

‘আর অন্যান্য ছোটখাট জিনিস যেগুলো… ভারতের সাথে তো আমাদের যে ধরনের বড় বড় সমস্যা, সব আমরা আলোচনার মাধ্যমেই দূর করেছি। আর যদি কিছু থাকে, সেগুলো আস্তে আস্তে করব। বাট দিস ইভেন্ট শুড নট বি অ্যান অকেশন ফর রিজলভিং…।’

মোমেন বলেন, ‘এই ইভেন্ট হচ্ছে ভেরি স্পেশাল ইভেন্ট। এটা হচ্ছে এই দেশগুলোর… বাংলাদেশের প্রতি তাদের যে শ্রদ্ধাবোধ, স্বাধীনতার প্রতি তাদের যে বিরাট আগ্রহ, বঙ্গবন্ধু, যিনি তার পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য….।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান আসছেন না, তারাও বার্তা পাঠিয়েছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট, কানাডার প্রধানমন্ত্রী, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বার্তা পাঠিয়েছেন।

এবারের সফরে নরেন্দ্র মোদির কী কী কর্মসূচি থাকছে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মহামারির মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর হবে বাংলাদেশে। আর কোথাও যাননি এই কোভিডের সময়। তিনি শুধু ঢাকায় আসতেছেন না, আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও যাবেন। সাতক্ষীরা, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, ওড়াকান্দি যাবেন।’

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনে গত বছর ১৭ মার্চ জাতীয় পর্যায়ে বড় আকারে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। সে অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিরও যোগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সব স্থগিত হয়ে যায়।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এ মাসের ১৭ থেকে ২৬ মার্চ দশ দিন জাতীয় পর্যায়ে বেশ কিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তাতে যোগ দিতে ২৬ মার্চ ঢাকা আসার কথা রয়েছে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর। পরদিন সাতক্ষীরার যশোরেশ্বরী মন্দির, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ এবং কাশিয়ানীর ওড়াকান্দিতে মতুয়া সম্প্রদায়ের একটি মন্দিরে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

সার্চ/অনুসন্ধান করুন