সোমবার, ১৪ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

রাবি ভিসির বাসভবনের পর প্রশাসন ভবনে তালা দিল ছাত্রলীগ

১২-জানু-২০২১ | jonmobhumi | 154 views

Spread the love

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসন ভবনের গেটে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের চাকরি প্রত্যাশী নেতা-কর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান নেন। সেখানে অবস্থানরত চাকরি প্রত্যাশী ছাত্রলীগ নেতাদের একটি প্রতিনিধি দলকে প্রশাসনের সাথে আলোচনার আহ্বান জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান। এর আগে নেতা-কর্মীরা সোমবার রাতে ভিসি অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের বাসভবনের প্রধান ফটকের তালা লাগিয়ে দেয় তবে মঙ্গলবার ফটকটি খুলে দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, প্রশাসন ভবনে তালা দেয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড: এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান আল আরিফ ও প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমানসহ ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আলোচনায় বসেছেন। তাদের মধ্যে রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইলিয়াছ হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ রানা, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি মাহফুজ আল আমিন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাসেলও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে অবস্থান নেয়া রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাহাফুজ আল আমিন জানান, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত সমাধানের আশ্বাস পাব না ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এখানে অবস্থান নেব ।’

ভিসির বাসভবন খুলে দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক মারা গেছেন। ভিসি মর্মাহত, তিনি জানাজায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। তাই মানবিক বিবেচনায় আমরা সেখান থেকে সরে এসেছি।’

এ ব্যাপারে রাবি প্রক্টর অধ্যাপক ড: লুৎফর রহমান বলেন, ‘বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আমরা তাদের আলোচনায় ডেকেছি।’

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় ভিসির বাসভবনের সামনে চাকরি প্রত্যাশী ও রাবি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সাদেকুল ইসলাম স্বপন, রাবি ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াছ হোসেনের নেতৃত্বে ছয়জনের একটি প্রতিনিধিদল ভিসির অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের বাসভবনে সাক্ষাৎ করতে যান। তবে ভিসি বিশ্রামে থাকায় তিনি ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সাথে দেখা করেননি। ফলে তারা বাইরে থেকে ওই দিন রাত সাড়ে ৯টায় ভিসির বাসভবনের প্রধান গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন ভিসি, প্রোভিসি, প্রক্টরসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। একই সাথে চাকরি প্রত্যাশী ছাত্রলীগের নেতারা সারারাত ধরে প্রধান ফটক আটকে রেখেছিলেন।

সার্চ/অনুসন্ধান করুন