শনিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি.
সাপ্তাহিক জন্মভূমি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

রাসূলুল্লাহ সা:-এর অবমাননা : ম্যাক্রোঁ পিছু হটেছেন, কিন্তু ক্ষমা চাইবেন কখন?

০১-নভে-২০২০ | jonmobhumi | 448 views

Spread the love

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার ইসলাম বিদ্বেষী ও ইসলাম অবমাননাকর বক্তব্য থেকে পিছু হটেছেন। তিনি শনিবার আল-জাজিরা টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইসলাম অবমাননাকর কার্টুন প্রকাশের ফলে মুসলমানদের অনুভূতিতে যে আঘাত লেগেছে তা তিনি উপলব্ধি করছেন। ম্যাক্রোঁ আরো বলেন, কিছু মানুষ আছে যারা ইসলাম ধর্মের বিকৃতি ঘটাচ্ছে এবং এই ধর্মের নাম নিয়ে এটি রক্ষার ঝাণ্ডা হাতে তুলে নিয়েছে।

ইসলাম অবমাননাকর বক্তব্য প্রদানকারী ফরাসি প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশ কোনো সরকারি প্রকল্প নয় বরং এমন কিছু পত্রিকা এ কাজ করেছে যাদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ইসলাম অবমাননাকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ার পর নিজের বক্তব্য থেকে সরে গেলেন তিনি।

এমন সময় তিনি নতুন এ বক্তব্য দিলেন যখন সম্প্রতি তিনি ফরাসি পত্রিকা শার্লি এবদুতে প্রকাশিত ইসলাম অবমাননাকর কার্টুনের পক্ষ সমর্থন করে কথা বলেছিলেন।

এদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ তার আগের বক্তব্য থেকে সরে এসে সুর নরম করলেও ধর্ম অবমাননার পক্ষে অবস্থান নেয়ায় সারা বিশ্বের মুসলমানদের দাবি অনুযায়ী এখনো ক্ষমা প্রার্থনা করেননি। মুসলমানরা মনে করেন, ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মোহাম্মদ সা:-কে নিয়ে অবমাননামূলক বক্তব্য দেয়া ফরাসি প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই মুসলিম বিশ্বের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

সম্প্রতি স্যামুয়েল প্যাটি নামক ফ্রান্সের একজন শিক্ষক তার ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সামনে বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মাদ সা:-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করার পর এক হামলায় নিহত হন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য তার দেশের মুসলমানদের দায়ী করেন এবং দাবি করেন, মুসলমানরা ফ্রান্সকে ধ্বংস করে ফেলতে চায়।

ম্যাকরন আরো ন্যাক্কারজনক বক্তব্যে ঘোষণা করেন, ফ্রান্সে বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মাদ সা:-এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ অব্যাহত থাকবে। তার এ বক্তব্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান ও ভারতসহ গোটা বিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।  মুসলিম বিশ্বে প্রতিবাদ জোরদার হওয়ার পরও ফরাসি প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন যে, ফ্রান্সে এই ধরনের কার্টুন ছাপানো কখনোই বন্ধ হবে না।

সার্চ/অনুসন্ধান করুন